চাঁদাবাজদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাদের সম্মানের সঙ্গে জীবিকা অর্জনের সুযোগ করে দিতে চান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কেউ যদি সত্যিই অভাবের কারণে চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে আল্লাহ প্রদত্ত রিজিক ভাগাভাগি করে খেতেও তিনি প্রস্তুত।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, “আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে চাই। যারা আজ চাঁদাবাজি করছেন, তাদের হাতেও আমরা সম্মানের কাজ তুলে দেবো—সেদিন তারাও সম্মানের সঙ্গে এদেশে বসবাস করবে।”
মিথ্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত কখনো কাউকে অন্যায়ভাবে মামলার আসামি করেনি। “আমাদের আটটি মামলায় একজন করে আসামি ছিল। অথচ কেউ কেউ শত শত মানুষকে আসামি করে মামলা দিয়েছে। এসব মামলা নিয়ে বাণিজ্য চলছে,”—বলেন তিনি।
নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে সহিংসতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “আমাদের প্রচারণায় দিশেহারা হয়ে অনেকে মা-বোনদের গায়ে হাত দিয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—যেকোনো মূল্যে আমাদের মা-বোনদের সম্মান রক্ষা করা হবে।”
কুষ্টিয়ার চালকলে চাঁদাবাজি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, চালবাহী প্রতিটি ট্রাক থেকে ‘বেসরকারি খাজনা’ আদায় করা হচ্ছে। প্রতি ট্রাক থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেয়া হয়, এতে চালকল মালিক থেকে শুরু করে চালকরাও অতিষ্ঠ। “চাঁদা বললে লজ্জা পায়, তাই একে বেসরকারি খাজনা বলা হচ্ছে,”—ব্যঙ্গ করেন তিনি।
আসন্ন নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ বারবার বিভিন্ন দলকে ক্ষমতায় দেখেছে। “এবার আমরা দাঁড়িপাল্লাকে দেখতে চাই,”—বলেন তিনি।




