মঙ্গলবার

০৭:৪১:২০

৩ নভেম্বর, ২০২৬

১৮ কার্তিক, ১৪৩৩

২০ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮

Edit Content
সর্বশেষ
  1. Home
  2. Lead
  3. বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিতে বড় পদক্ষেপ : ইন্টারনেট ও ট্রেন-মেট্রো বন্ধ

জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার নয়, একক জয়ে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার নয়, একক জয়ে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব স্পষ্টভাবে নাকচ করে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বলেও জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী। একসময় নিষিদ্ধ থাকা দলটি বর্তমানে আবার শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছে। যদিও ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত একসঙ্গে সরকার পরিচালনা করেছিল, তবে বর্তমান বাস্তবতায় সেই জোট পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন তারেক রহমান।

নিজ দলীয় কার্যালয়ে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐক্য সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে কীভাবে সরকার গঠন করবো? তাহলে বিরোধী দলে থাকবে কে?” তিনি আরও বলেন, জামায়াত যদি বিরোধী দলে থাকে, তাহলে একটি দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখবে—এমনটাই তিনি প্রত্যাশা করেন।

তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা জানিয়েছেন, বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। এবারের নির্বাচনে বিএনপি সরাসরি ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, বাকি আসনগুলোতে রয়েছে জোটের শরিকরা। যদিও নির্দিষ্ট আসন সংখ্যার বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তারেক রহমান, তবে তিনি বলেছেন, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদের থাকবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অধিকাংশ জনমত জরিপেই বিএনপির জয়ের পূর্বাভাস রয়েছে। তবে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট—যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ তরুণদের নেতৃত্বাধীন দলগুলো রয়েছে—বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট দেশের দিকে ঝুঁকবে না। দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও ১৭ কোটির বেশি মানুষের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পারে—এমন অংশীদারের সঙ্গেই সম্পর্ক জোরদার করা হবে। সরকারে গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বাড়ানোই হবে তার অগ্রাধিকার।

এমএফ/বিকল্পকন্ঠ
#তারেকরহমান #জাতীয়নির্বাচন #বিএনপি #জামায়াত #বাংলাদেশরাজনীতি

আরও পড়ুন

Scroll to Top