বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন গণতন্ত্রের পথে দৃঢ়ভাবে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, স্বৈরাচারের আমলে যারা মা তাদের সন্তান হারিয়েছেন, যারা বোন বা স্ত্রী তাদের প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাদের জন্য সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কিছু নেই।
শনিবার (জানুয়ারি) রাজধানীর চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান আরও বলেন, ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। গুম ও খুনের শিকারদের পরিবারকে রাষ্ট্র কখনো দায় এড়াতে পারবে না। বিএনপি সরকারে এলে রাষ্ট্রে শহীদদের নামে সড়কের নামকরণ করা হবে।
তিনি উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বলেন, “সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কেউ যেন ষড়যন্ত্র করতে না পারে। প্রতিটি বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে হলে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।”
সভায় আলোচ্য বিষয় ছিল অতীতের নিপীড়ন এবং গুম ও খুনের পরিবারগুলোর সমস্যা। মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিএনপি পরিবার ও ‘মায়ের ডাক’। এতে উপস্থিত ছিলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেকে।
সভায় দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তারেক রহমান বলেন, জনগণকে গণতন্ত্রের প্রতি দায়িত্বশীল থাকতে হবে। “রাষ্ট্রে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং নিরপেক্ষ বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে জনগণকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।”
তিনি আরও আশ্বাস দেন, আগামীতে বিএনপি সরকারের অধীনে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছ রাজনীতির প্রতিষ্ঠা হবে। এ ধরনের সভা মানুষের গণতান্ত্রিক চেতনা জাগাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে, এবং রাজনীতিতে সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়াতে সাহায্য করে।




