বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি অপরাধের বিচার দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় নিশ্চিত করা হবে এবং দখলবাজি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর নতুন বাস টার্মিনাল মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি। কারা এই সন্ত্রাস ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, কীভাবে তারা এটি করেছে—সেটা এখানকার মানুষ ভালোভাবেই জানে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা নারায়ণগঞ্জের আরেকটি বড় অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শহরে অন্তত ২০টি বড় মাদক স্পট রয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথমেই এসব মাদক স্পট উচ্ছেদ করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা আজ মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে। বিএনপি সরকার গঠন করলে অপরাধী যেই হোক, তার বিচার হবে দেশের প্রচলিত আইনে। কোনো ধরনের রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব অপরাধীদের রক্ষা করতে পারবে না।
তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, শুধু সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা নয়, আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন বিদেশি ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে যুবকদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি ইমাম, খতিব ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও সম্মানজনক হালাল উপার্জনের সুযোগ তৈরি করা হবে।
তিনি বলেন, নদী ও খাল দখলের কারণে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে সারাদেশে জলাশয় সংস্কার করা হবে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার ‘খাল খনন কর্মসূচি’ পুনরায় চালু করা হবে। সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনের দলীয় ও জোটভুক্ত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।




