ঢাকা—ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে আজ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের সব নির্বাচনী এলাকায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক সংগ্রহ করবেন। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী মাঠে আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রতীক পাওয়ার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন। নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন। এ সময়ের মধ্যে পোস্টার, লিফলেট, গণসংযোগ, সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা তুলে ধরবেন তারা।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এই নির্বাচনে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ করা হবে, যা নিয়ে ইতোমধ্যে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে দেশের প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারণা শুরুর মধ্য দিয়ে নির্বাচন আরও প্রাণবন্ত হবে। পাশাপাশি ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।




